আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বরহাদ (ওয়ানএমডিবি) দুর্নীতি মামলায় মালেশিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিচার শুরু হয়েছে। বুধবার কুয়ালালামপুর হাই কোর্টে এই বিচার শুরু হয়।
৬৬ বছরের নাজিবের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের তিনটি, ক্ষমতার অপব্যবহারে একটি এবং ওয়ানএমডিবি তহবিল থেকে চার কোটি ২০ লাখ রিঙ্গিত (মালয়েশীয় মুদ্রা) নিজের ব্যাংক হিসেবে স্থানান্তর তথা পাচারের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
মাত্র এক বছর আগে মালয়েশিয়ার সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি ছিলেন নাজিব। বুধবার আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল টমি থমাস সেদিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, নাজিব ছিলেন তার দপ্তরের ‘অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাধর’ ব্যক্তি।
তিনি বলেছেন, ‘অভিযুক্ত আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং তার মামলা ও এই বিচার নজির হিসেবে থাকা উচিৎ।’ মামলায় সাক্ষীর মাধ্যমে এটাই প্রমাণ করা হবে যে নাজিব তার ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে হোনোলুলুর একটি দোকানে এক লাখ ৩০ হাজার ৬২৫ মার্কিন ডলার খরচ করেছিলেন।
২০০৯ সালে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ওয়ানএমডিবি তহবিল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নাজিব রাজাক। ২০১৫ সালে ব্যাংক ও বন্ডহোল্ডারদের পাওনা অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার পর এই তহবিল নিয়ে প্রশ্ন শুরু হয়। পরে ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, এই তহবিলের বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে এবং নাজিবের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমেও বিপুল অর্থ পাচার হয়েছে।
নাজিব অবশ্য বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।

