ঢাকাWednesday , 3 April 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাদেশের পণ্যের বাজার খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান কূটনীতি অর্থনৈতিক কূটনীতি৷ প্রতিটি দূতাবাসকে নির্দেশনা দেওয়া আছে। প্রত্যেক রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ঢেকে দীর্ঘ মিটিং করেছি, কোনো দেশে বাংলাদেশের কোন কোন পণ্যের বাজার রয়েছে তা খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করতে হবে৷ আপনাদের নতুন বাজার খুঁজতে হবে। গার্মেন্টেসের নতুন নতুন আইটেমও করা যায়। একেক দেশে একেক রকম চাহিদা। ডিজাইন এবং ফ্যাশন ভিন্ন ভিন্ন হয়। প্রতিটি পণ্যের ক্ষেত্রে ফ্যাশন ডিজাইন খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যাশন ডিজাইনিং ইউনিভার্সিটি করা হয়েছে। পোশাক খাত আরও সমৃদ্ধ হোক সেটাই প্রত্যাশা করি।’
বুধবার বিজিএমইএ-এর নতুন ভবন উদ্বোধনকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উত্তরায় নির্মাণাধীন বিজিএমইএ কমপ্লেক্স উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
উত্তরার ১৭ নং সেক্টরের ব্লক এইচ ওয়ানে নির্মাণাধীন বিজিএমইএ কমপ্লেক্স ভবনের নিচ তলায় এক উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ওই (হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন) যায়গাটা আমাদের দেওয়া। বারবার বলেছিলাম ভবনটা খালের উপর যেন না যায়। সোনারগাঁও হোটেলের সঙ্গে সমন্বয় করে করতে বলেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমরা যখন পরবর্তী সময় ক্ষমতায় আসলাম তখন দেখলাম খালের উপর করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সেখানে ব্রিজ দিয়ে ভবনটিতে যেতে হচ্ছে। আমাদের এমনিতেই জলাধারের সমস্যা। আগুন লাগলে পানির অভাব। সেগুনবাগিচায় একটা খাল ছিল। ধোলাইখালেও ছিল। কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ভবনটা ভেঙে ফেলতে হবে। বিশাল একটা জায়গা দিয়েছি। সেখানে ভবন হচ্ছে৷ এই কাজটা যে হচ্ছে তা ইতিবাচক। কিন্তু তারা ভবনের জন্য জায়গা কিনতে চাননি। আমরা দিয়েছি। যেহেতু কোর্টের রায় সেটা কার্যকর করতে হবে৷ যদি চলে আসা যায় কোর্টের রায় মানা হবে। নতুন ভবন উদ্বোধন করে দিয়েছি। ৬ তলা পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে। এই কাজ চলতে থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চমৎকারভাবে হাতিরঝিলের উন্নয়ন করেছি। এখানে দুটি কাজ। ঢাকা নগরীর যে রাস্তা ছিল, বেশিরভাগই ছিল উত্তর-দক্ষিণ মুখী। পূর্ব-পশ্চিম মুখী রাস্তা ছিলই না। সেই যোগাযোগটা যাতে সুন্দর হয়, এই জলাধারকে যেন ধরে রেখে দৃষ্টিনন্দন করা যায় সেটা করতে গিয়ে অনেক মামলা মোকাবেলা করতে হয়েছে। সেই জায়গা থেকে এই বিল্ডিংটা সত্যি কথা বলতে কী- তাকাতে গেলে এই বিল্ডিংটা একটা বাধার মতো মনে হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘গত ১০ বছরে পোশাক খাতের শ্রমিকের নূন্যতম মজুরি ১৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করেছি। মালিকদের জন্য উৎস করে ছাড় দিয়েছি। বাজেটে কর বসাতে পারি না কিন্তু কমাতে পারি।’
বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘কোর্টের রায় অনুযায়ী ১২ তারিখ আমাদের সময় শেষ হয়ে যাবে। ১২ তারিখেই আমরা নতুন ভবনে যাবো।’
তিনি বলেন, ‘৮৪ শতাংশ বৈদেশিক আয় এ খাত থেকে আসে। এ খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এক কোটি লোক জড়িত।’
৬ হাজার মেম্বার ছিল তার মধ্যে ৩ হাজার ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়েছে। ২৮০টি রুগ্ন শিল্পকে আপনি ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। আপনি একটু লিখে দিলে এর ব্যবস্থাটা হয়ে যাবে। এছাড়া ১৮৯টি ফ্যাক্টরি আছে আপনি তার ব্যবস্থাও করে দেন। পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে আগামী এক বছরের জন্য নগদ ৫ শতাংশ হারে সহায়তা দিলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো।’
গণভবনে এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম, বিজিএমইএ-এর প্রাক্তন সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ।
উত্তরার নতুন ভবনে এসময় বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, প্রথম সহ সভাপতি মঈনুদ্দিন আহমেদ মিন্টু, সহ সভাপতি এম এম মান্না কচি, সহ সভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ নাছির, বিইউএফটির ভাইস চ্যান্সেলর মোজাফফর ইউ সিদ্দিকী, মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক ও সংগঠনটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।