নিজস্ব প্রতিবেদক : এখন থেকে অনলাইনে সার্টিফিকেট সত্যায়িত ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা অতি অল্প সময়ে দেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তবে সার্টিফিকেট সত্যায়িত করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনলাইনে তাদের ডাটাবেজের মাধ্যমে দ্রুত স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট সত্যায়ন করতে হবে। বিদেশে বাংলাদেশী মিশনে ২৪ ঘন্টা হটলাইন চালু করা হবে। বিমান বন্দরে হয়রানি বন্ধে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও তদারকি করা হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আবদুল মোমেন শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট- এর পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রোহিঙ্গা ইস্যুকে বাংলাদেশী প্রবাসীরা আলোচনা অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তুলে ধরবে এবং এ বিষয়ে তারা সারাবিশ্বে সচেতনতা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আশা করেন ড. মোমেন।
সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি বাস্তবায়নে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতেও প্রবাসীরা সাহায্য করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রা শুরু করেছি। আমরা চাই বাংলাদেশ উন্নত দেশ হবে এবং সেখানে সবাই সুখে-শান্তিতে থাকবে। কিন্তু আমাদের অনেক প্রজেক্ট যথা সময়ে বাস্তবায়ন হয় না। এগুলো বাস্তবায়নে কীভাবে আরো গতি আনা যায় সে বিষয়ে আমাদেরকে আরো গবেষণা করতে হবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।’
আগামী ৫ বছর বাংলাদেশের ১০০ বৈদেশিক মিশন খোলার লক্ষ্য সরকারের:
এদিকে সিলেটে অপর এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আবদুল মোমেন বলেন, ‘সরকার প্রবাসীদের সেবার মান ও পরিমাণ বাড়াতে আগামী ৫ বছর বাংলাদেশের ১০০টি বৈদেশিক মিশন খুলতে চায়।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কোন দেশ থেকে আমরা অথনৈতিক, বাণিজ্যিকসহ কি ধরনের সুবিধা পেতে পারি, সেখান থেকে কি ধরনের বিনিয়োগ আসতে পারে সে বিষয়ে বাংলাদেশের ৭৮টি বৈদেশিক মিশনকে ৩ বছরের পরিকল্পনা দিতে বলা হয়েছে। অধিকাংশ মিশন তাদের পরিকল্পনা জানিয়েছে। সরকার সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপে নেবে।’
ড. মোমেন বলেন, ‘সরকার খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এই বিবেচনায় আমি মনে করি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সিলেট এলাকার শিক্ষার হার তুলনামূলক কম এর একটি কারণ অবকাঠামোর অভাব। এ জন্য সিলেটের ২৮টি কলেজে বিশেষ অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সিলেটের সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমেদ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থ বক্তৃতা করেন।

