নিজস্ব প্রতিবেদক : স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় এসডিজি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে সক্ষম হবে। জাতিসংঘে এমডিজি ও এসডিজি নির্ধারণকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন, এ বিরল সৌভাগ্য খুব কম রাজনীতিবিদের হয়।
রোববার জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘এনহ্যান্সিং মেম্বার্স অব পার্লামেন্টস লিডারশিপ অন এজেন্ডা ২০৩০ ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কন্ট্রিবিউশন টু এসডিজি’স এটেইনমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। দিনব্যাপী কর্মশালায় ২০ জন সংসদ সদস্যসহ ৪৫ জন অংশ নেন।
ইউএনডিপির পার্লামেন্টারি অ্যাডভাইজার (ব্যাংকক রিজিওনাল হাব) দনিয়া ঘিমিচি ‘এসডিজি ২০৩০ বাস্তবায়নে পার্লামেন্টের ভূমিকা’ এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ‘এসডিজি : পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
স্পিকার বলেন, দিনব্যাপী এ কর্মশালায় একাদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা উন্নয়নে আগামী এক বছরের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। সংসদ সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন হলে ২০৩০সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন সহজ হবে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো: ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, পঞ্চানন বিশ্বাস, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, প্রাক্তন চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ ফ ম রুহুল হক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জী সূচনা বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত সচিব আ ই ম গোলাম কিবরিয়া। পরে কর্মশালার প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যবৃন্দ অংশ নেন।

