ঢাকাSunday , 2 December 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হোটেল রেইন ট্রিতে ধর্ষণ : মূল আসামির মুক্তিতে টিআইবির উদ্বেগ

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর বনানীর রেইন ট্রি হোটেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির জামিনে মুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিতে দীর্ঘসূত্রিতার আশঙ্কা প্রকাশ করে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
রোববার সংস্থাটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়।
জামিনের পূর্বে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের বদলির সংবাদে জনমনে গভীর উদ্বেগ ও প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়া স্বাভাবিক বলে মনে করছে টিআইবি।
বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আদালতে চার্জ গঠনের পর প্রায় দেড় বছর পার হলেও এ মামলার বিচার নিষ্পত্তি না হওয়া উদ্বেগজনক। মামলার বিচারকাজে দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগে সম্প্রতি এ মামলার প্রধান আসামিকে বিশেষ বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে। অথচ মামলার ধরণ অনুযায়ী, ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ শেষ করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই বিচার নিষ্পত্তিতে এই দীর্ঘসূত্রিতা ও প্রধান আসামির জামিন প্রদান ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কতটা সহায়ক, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।’
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা উদ্বিগ্ন এ কারণে যে, গণমাধ্যম সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের মাঝামাঝি এ মামলার বিচারিক আদালত পরিবর্তন হয়েছে এবং অতি সম্প্রতি মামলার প্রধান আসামির জামিনের অব্যবহিত পূর্বে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারককে বদলি করা হয়েছে। এরকম বাস্তবতায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বিচারকের বদলি ও তার অব্যবহিত পরই জামিনের ঘটনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার ঘাটতির পরিচায়ক বলেও মনে করছে টিআইবি।’
অবিলম্বে এ মামলার বিচারকাজ শেষ করে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘টিআইবি এর আগেও এ ধরনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ন্যায়বিচার দাবি করেছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলার ন্যায়বিচারের দাবির পাশাপাশি স্বর্ণ খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় সরকারের সাথে যৌথ প্রক্রিয়ায় স্বর্ণ নীতিমালা তৈরিতে অংশীজন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কিন্ত এ খাত সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনের গুরুতর অপরাধ বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা যেমন আইনের শাসনের ব্যত্যয় এবং একটি ব্যাপক আলোচিত ও নারকীয় ধর্ষণ মামলার সুষ্ঠু বিচারিক প্রক্রিয়ার অন্তরায় তেমনই সামগ্রিকভাবে স্বর্ণ খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তরায় হবে বলেও মনে করে টিআইবি।’