আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির জের ধরে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা গণবিক্ষোভে ভাঙচুর, সংঘর্ষ ও সহিংসতা বন্ধে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়টি বিবেচনা করছে ফ্রান্স। রোববার ফরাসি সরকারের মুখপাত্র বেঞ্জামিন গ্রিভাক্স এ তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার মুখোশ পরিহিত দলবদ্ধ তরুণরা রাজধানী প্যারিসের কেন্দ্রস্থলে গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগ করেছে। এসময় তাদের কারো হাতে ছিল রড ও কুড়াল।
গ্রিভাক্স বলেছেন, ‘এ ধরণের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য আমরা এই পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছি।’
দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ‘হলুদ জ্যাকেট’ আন্দোলনকারীরা ফ্রান্সজুড়ে সড়ক অবরোধ করছে। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়অর প্রতিবাদে এ সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আয়োজিত এসব প্রতিবাদ বিক্ষোভে ট্যাক্সি চালকদের ব্যবহৃত হলুদ জ্যাকেট পরে অংশ নিচ্ছে প্রতিবাদকারীরা। এ কারণে এই প্রতিবাদটি ‘হলুদ জ্যাকেট’ আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
রোববার প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলায় বৈঠক করার কথা রয়েছে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর। বৈঠকে তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংলাপ শুরুর বিষয়েও আলোচনা করবেন। তবে আন্দোলনকারীদের কোনো সাংগঠনিক ভিত্তি কিংবা নেতৃত্ব না থাকায় সংলাপ কীভাবে শুরু করা হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রিভাক্স জানান, রোববারের বৈঠকে যে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হবে এটি তার অন্যতম।
তিনি বলেন, ‘প্রতি সপ্তাহান্তে বৈঠক হবে অথবা সহিংসতার বিধি নিয়ে আলোচনা হবে তা প্রশ্নাতীত।’

