ঢাকাMonday , 29 October 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজনৈতিক সংকটে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে পদচ্যুত করে দেশের ভেতরে এবং বাইরে প্রবল রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা। একদিকে পার্লামেন্ট স্পিকার কারু জয়সুরিয়া বলেছেন বিক্রমাসিংহেই বৈধ প্রধানমন্ত্রী, অপরদিকে সংকট নিরসনে সিরিসেনাকে চাপ দিচ্ছে ভারত ও পশ্চিমা মিত্ররা।
এদিকে সোমবার পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে বলেছেন, শ্রীংলকায় এখন সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা শূন্যতা চলছে। এই মুহূর্তে দেশের পূর্ণ দায়িত্বে কেউ নেই। তিনি অচিরেই পার্লামেন্টের অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করেন সিরিসেনা। তার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী পদে তিনি মনোনয়ন দেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসেকে। তবে রনিল বরখাস্তের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে শনিবার সকালে পার্লামেন্টের জরুরি অধিবেশন ডাকেন। রনিলের দাবি, এখনো সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্য তার পক্ষে রয়েছেন। এরপরই ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত পার্লামেন্ট স্থগিত ঘোষণা করেন তিনি। রোববার স্পিকার বলেছেন, বিক্রমাসিংহেই বৈধ প্রধানমন্ত্রী। কারণ ২০১৫ সালে একটি আইনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্তে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়।
রোববার বিক্রমাসিংহের মন্ত্রিসভার সদস্য জ্বালানি মন্ত্রী অর্জুনা রানাতুঙ্গা তার দপ্তরে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। এ সময় সিরিসেনার সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। রানাতুঙ্গার নিরাপত্তা রক্ষীর গুলিতে এ সময় একজন নিহত হয়।
শ্রীলংকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে ভারত ও চীনের অনানুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতা রয়েছে। চীন ঘেঁষা রাজাপাকসেকে ইতিমধ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বেইজিং। তবে বিক্রমাসিংহের সমর্থক ভারতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র সিরিসেনাকে সংবিধান মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। কূটনীতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, চীন ছাড়া অন্য কোনো দেশ এখনো রাজাপাকসে কোনো ধরণের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠায়নি।
এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হিদার নাউয়ার্ট বলেছেন, ‘আমরা স্পিকারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে অবিলম্বে পার্লামেন্টের অধিবেশন আহ্বান এবং সংবিধান অনুযায়ী কে সরকারের নেতৃত্ব দেবে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত শ্রীলংকার জনগণের প্রতিনিধিদের তা নিশ্চিত করতে দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’