ঢাকাFriday , 26 October 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফ্রিজ-এসির কম্প্রেসর যন্ত্রাংশের ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহার

Link Copied!

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এয়ারকন্ডিশনার (এসি) ও রেফ্রিজারেটরে (ফ্রিজ) কর সুবিধা আরও দুই বছর বাড়ানো হয়েছে।
একই সঙ্গে দেশীয় শিল্প উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে ফ্রিজ এবং এসিতে ব্যবহৃত ‘কম্প্রেসর’ তৈরিতে নতুন করে কর ছাড় দেওয়া হয়। এখন থেকে ফ্রিজ, এসির পাশাপাশি কম্প্রেসরেও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি সুবিধা পাওয়া যাবে। যা ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। এর আগে এয়ারকন্ডিশনার (এসি) ও রেফ্রিজারেটরে (ফ্রিজ) যে কর সুবিধা দেওয়া হয় তা ২০১৯ সালের ৩০ জুন শেষ হবে।
সংশ্নিষ্ট শিল্পের উদ্যোক্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সুবিধা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২১ অক্টোবর এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আগে কম্প্রেসর তৈরির জন্য এর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বিভিন্ন হারে সম্পূরক শুল্ক দিতে হতো।
তবে কম্প্রেসার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে Sand Moulding Machine, Induction Melting Furnace, Heat Treatment Furnace, Spectrometer, Upper Cover Press Machine, Lower Cover Press Machine, Crankshaft Grinding Line, Crankcase Machining Line, Stator Line, Lamination Annealing Furnace, Dip Phosphating Line, Rotor Line, Life Testing Machine, Hemi-anechoic Chamber, CNC Coordinate Measuring Machine & Calorimeter থাকতে হবে।
এনবিআর বলেছে, এখন কম্প্রেসর বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আনতে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক দিতে হবে না। এতে দেশে তৈরি কম্প্রেসর আরও সস্তা হবে এবং ক্রেতা কম দামে এসি ও ফ্রিজ কিনতে পারবেন। এনবিআরের কর্মকর্তরা আশা করছেন এসব সুবিধা দেওয়ার ফলে এ খাতের বিকাশ অব্যাহত থাকবে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে।
বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে ফ্রিজ ও এসি। রেফ্রিজারেটর অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে মোট ১১ লাখ রেফ্রিজারেটর বিক্রি হয়। এর মধ্যে ৭৮ শতাংশ দেশীয়। বাকি ২২ শতাংশ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আমদানি করা। আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৩ শতাংশের বেশি বিক্রি বেড়েছে।
সরকার কর প্রণোদনা দেওয়ার ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ খাতে অনেকেই বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছেন। বর্তমানে ওয়ালটন, মার্সেল, ইকো প্লাস, বাটারফ্লাই, যমুনা, আরএফএল, মাইওয়ান দেশে ফ্রিজ ও এসি উৎপাদন করে। এর মধ্যে ওয়ালটনের মার্কেট শেয়ার সবচেয়ে বেশি।
এনবিআরের ভ্যাট অব্যাহতির আদেশে আরও বলা হয়েছে, উল্লিখিত সুবিধা পেতে হলে সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। এ ছাড়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠানকে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজন করতে হবে। এনবিআরের কর্মকর্তারা কারখানা পরিদর্শন করবেন। তাদের পরিদর্শনের প্রতিবেদন অনুযায়ী কর ছাড়ের সুবিধা দেওয়া হবে। শর্ত পালনে ব্যর্থ হলে কেউ সুবিধা পাবে না।