ঢাকাFriday , 19 October 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুর্গাপূজায় সাহায্যের হাত মুসলমানেরও

Link Copied!

নিউজ ডেস্ক : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজায় দেখা যাচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন। এই রাজধানীতেই উৎসবকে রঙিন করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মুসলমানরাও।
কোথাও স্থানে পূজা উদযাপন কমিটিতে আছেন মুসলমান সদস্য, কোথাও আর্থিক ও নিরাপত্তাজনিত সহযোগিতা করছেন অন্য ধর্মের লোকজন।
১৯৭৮ সাল থেকে নিয়মিত পূজা আয়োজন করে আসছে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাঁশবাড়ি পূজা উদযাপন কমিটি। কমিটিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি রয়েছেন একাধিক মুসলমান।
এই তথ্য জানান বাঁশবাড়ি পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র মণ্ডল। তিনি জানান, অসিৎ তালুকদারকে সভাপতি করে ৫০ সদস্যের পূজা উদযাপন কমিটিতে মুসলমানের সংখ্যা ১৩ জন, অর্থাৎ ২৫ শতাংশের বেশি। এরা যারা সরাসরি পূজা আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
জগদীশ বলেন, ‘আমরা এখানে সংখ্যায় অনেক কম। সুতরাং আমরা শুধু নিজেরা চাঁদা দিলে এত বড় আয়োজন করা সম্ভব হতো না। এখানে অনেকেই সহযোগিতা করছেন।’
কমিটির কোষাধ্যক্ষ বিমল কুমার মণ্ডল জানান, স্থানীয় বাড়ির মালিক রফিকুল ইসলাম তালুকদার (আজাদ) দীর্ঘদিন ধরে তাদের কমিটির সদস্য। প্রতি বছর পূজা আয়োজনে একটি বড় আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন তিনি।
মোহাম্মদপুর রায়েরবাজারের বাসিন্দা বিকাশ রায় বলেন, ‘আমাদের এই উৎসব একটি সার্বজনীন উৎসব। এখানে সবার সহযোগিতা এবং আসা-যাওয়া থাকবে এটাই স্বাভাবিক। দেশের অনেক স্থানে শোনা যায় হিন্দুরা মুসলমানদের দ্বারা নির্যাতিত। তাদের প্রতিমা ভেঙে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের এখানে এসব নেই। এখানে আমরা সবাই ভাই। আমরাও ঈদে তাদের বাড়ি যাই। তারাও পূজোতে আমাদের বাড়ি আসে, আনন্দ করে।’
এটি কেবল মোহাম্মদপুরের গল্প নয়। পুরান ঢাকার শাখারিবাজারের দুর্গা মন্দিরেও একই চিত্র। এখানেও বছরের পর বছর ধরেই স্থানীয় মুসলমানরা সহযোগিতা করে থাকে। তবে বিষয়টি একাশ করতে চায় না কোনো পক্ষই।
পূজা উদযাপন কমিটির একজন সদস্য বলেন, ‘আমাদের এই সম্প্রীতির ঐহিত্য নতুন নয়। মুসলমানরা যেমন আমাদের পূজায় সহযোগিতা করেন, তেমনি আমরাও ঈদে সাধ্যমত তাদেরকে সহায়তা করি। এতে আমাদের মধ্যে যে সম্পর্ক সেটা আপনারা দূর থেকে উপলব্ধি করতে পারবেন না।’