ঢাকাTuesday , 9 October 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

একঘণ্টা মোবাইল বন্ধ রেখে প্রতীকী ধর্মঘট

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : অযোক্তিক কলরেট বৃদ্ধি, ইন্টারনেটের মূল্য সমন্বয় ও টেলিকম খাতের নৈরাজ্য বন্ধের দাবিতে একঘণ্টা মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে প্রতীকী ধর্মঘট পালন করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এ প্রতীকী ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, টেলিফোন খাতে বর্তমানে নৈরাজ্য দেশের যেকোনো সেক্টরকে হার মানিয়েছে। গত ১ অক্টোবর রাত ১২টা থেজে নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর পরিবর্তন শুরু হয়। এখানেও দেখা যায় পূর্বনির্ধারিত ৩০ টাকা ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করার কথা থাকলেও এমএনপি চালুর দুদিন আগে জানা গেল এনএমপি চার্জ ৫০ টাকা, ভ্যাট ১৫ শতাংস। সেই সঙ্গে সিম রিপ্লেসমেন্ট ভ্যাট ১০০ টাকা গ্রাহককে দিতে হবে।
এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সরকার যখন ফোর-জি চালু করে তখন হঠাৎ সিম রিপ্লেসমেন্টের নামে গ্রাহকদের কাছে অতিরিক্ত ১২০ টাকা আদায় করা হয়। এভাবে একের পর এক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে অযৌক্তিকভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।
চলতি বাজেটে ইন্টারনেটের ওপর ১০ শতাংস ভ্যাট প্রত্যাহার করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে সবদিক থেকে গ্রাহকদের সুরক্ষা দিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বলেও মন্তব্য করেন মহিউদ্দীন আহমেদ।
তিনি বলেন, আমরা দাবি জানিয়ে আসছিলাম অফনেট-অননেট বাতিল করে ২৫ পয়সা কলরেট করার। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে আমরা কোনো ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ পাইনি। যদি কলরেট ও ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর সঙ্গে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণসহ কথায় কথায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ করা না হয় তাহলে আমরা সারা দেশের গ্রাহকদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সংসদ সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবির হিরু, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর কাজী মাহফুজ, জাগো বাঙালির সভাপতি হাবিবুর রহমান।